কৃষিপণ্য কেনাবেচায় অনলাইন সাইট ‘হর্টেক্সবাজারবিডি.কম’

হর্টেক্সবাজারবিডিকৃষিপণ্যের রফতানির সুযোগ বাড়ানো, মানসম্পন্ন সবজি ও ফলমূলের বাজার উন্নয়ন, করোনা পরিস্থিতিতে সতেজ পণ্য ক্রয়ে ভোক্তাশ্রেণি সৃষ্টি, কৃষিপণ্যের সঠিক বাজারজাত ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণে অনলাইন মার্কেট সাইট ‘হর্টেক্সবাজারবিডি.কম’ উদ্বোধন করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বুধবার (২৪ জুন) সরকারি বাসভবন থেকে উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ সাইট উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নাসিরুজ্জামান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থাপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি বা রফতানি বাড়াতে হলে অভ্যন্তরীণ বাজারে সেসব পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়াতে হবে, বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে, দেশে উন্নত অভ্যন্তরীণ বাজার স্থাপন করতে হবে, কাঁচাবাজার ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন ঘটাতে হবে। তা নাহলে বিদেশিরা এদেশ থেকে কৃষিপণ্য ক্রয়ে আগ্রহী হবে না। হর্টেক্স ফাউন্ডেশন কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়াতে কাজ করছে। এই অনলাইন মার্কেট কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নাসিরুজ্জামান বলেন, মানসম্পন্ন কৃষিপণ্যের পরিচিতি বৃদ্ধি করে রফতানির সুযোগ বাড়ানো। ভোক্তারা যাতে সহজে ও স্বল্প সময়ে ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য পেতে পারেন সেক্ষেত্রে ‘হর্টেক্সবাজারবিডি.কম’ সাইটটি বড় ভূমিকা রাখবে।

হর্টেক্স ফাউন্ডেশন ‘সফটওয়্যার শপ লিমিটেড’(এসএসএল) এর মাধ্যমে এই ই-কমার্স সাইটটি তৈরি করেছে। এটি পুরোপুরি ব্যবহারবান্ধব, একজন ভোক্তা সহজেই তার পছন্দমতো পণ্যের ক্রয়াদেশ দিতে পারবেন। পণ্যের মূল্য ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড/বিকাশ/নগদ/রকেট ইত্যাদির মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়া নগদ টাকা পরিশোধ করেও পণ্য গ্রহণ করতে পারবেন। পণ্য সরাসরি হর্টেক্স ফাউন্ডেশন অফিস থেকে ভোক্তা গ্রহণ করতে পারবেন। এমনকি হোম ডেলিভারির মাধ্যমেও পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পর্যায়ে বিভিন্ন ধরণের সবজিসহ আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, আনারস, সুগন্ধি চাল, ইত্যাদি ভোক্তা সাধারণের জন্য যোগান দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার ভোক্তা সাধারণের জন্য হর্টেক্স ফাউন্ডেশন এর রিফার ভ্যানের মাধ্যমে বিভিন্ন সবজি ও ফল সরবরাহ করা হচ্ছে।

 





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: