চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে শিশহত্যা মামলার আসামি নিহত: পুলিশ

প্রতীকী ছবিচট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ শিশুহত্যা মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম জসিম উদ্দিন (৩২) । আজ বুধবার ভোরে নগরের ডবলমুরিং থানার ঝরনা পাড়া জোড় ডেবার পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে রয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিহত জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে নগরের ডবলমুরিং, হালিশহর, বন্দর থানায় হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৩টি মামলা রয়েছে । তিনি ডবলমুরিং থানা–পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।২০১৪ সালে নগরের আগ্রাবাদ জাম্বুরি পার্ক এলাকায় পুলিশ সদস্য ফরিদ উদ্দিনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার মামলার আসামিও জসিম। সর্বশেষ ২০০৮ সালে মোহাম্মদ খোরশেদ হত্যা মামলায় জসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।

ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঝরনা পাড়ায় মো. মেহরাব নামের ৩ বছরের এক শিশুকে গলা কেটে হত্যা করা হয় । এ ঘটনায় তার মা নীলু বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। জসিম উদ্দিনকে এ মামলায় আসামি করা হয়।নিহত শিশু মেহরাব জসিমের ছোট ভাই মোহাম্মদ রাশেদের ছেলে।

পুলিশ কর্মকর্তা জহির হোসেন বলেন, মামলার পর পুলিশ জসিমকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে। একপর্যায়ে ঝরনা পাড়া এলাকায় তাঁর অবস্থানের কথা জানতে পেরে সেখানে যায় পুলিশ। এ সময় জসিমের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে জসিমকে সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায়। আহত জসিমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। গোলাগুলিতে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার পশ্চিম এমএমএম হুমায়ুন কবির, ডবলমুরিং থানার ওসি সুদীপ কুমার দাস, পরিদর্শক তদন্ত জহির হোসেন, এসআই অন্য বড়ুয়া ও হেলাল উদ্দিন সহ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি, দুইটি গুলি ও ৮৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: