বাংলা একাডেমির প্রতি ছাগলদের নিবেদন

সম্প্রতি শুদ্ধ বানান চর্চা নামক একটি পেজ বাংলা একাডেমি অভিধানের রেফারেন্স দিয়ে জানায়, এত দিন জেনে আসা গরু বানানটি ভুল। বরং শুদ্ধ বানান হবে ‘গোরু’। পেজটি এটাও জানায় যে, এই তথ্য লেখা আছে অভিধানের ৪১৮ নম্বর পেজে। ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই তা ছাগলদের নজরে আসে। তৎক্ষণাৎ এক সংবাদ সম্মেলনে ছাগলরা দাবি জানিয়ে বলেন,’আমাদেরকেও ছাগোল বলে ডাকুন’।

মর্মাহত হয়ে ছাগল কল্যাণ সমিতির আহবায়ক বলেন, ‘এমনিতেই কোরবানির ঈদে সবাই গরুদের কথাই বলে, আমরা ছাগলরা তিল পরিমাণ পাত্তা পাই না। আমরা নীরবে কোরবানি হই। অনেকে তো আমাদেরকে কোরবানি দেয়ার কথা বলতে লজ্জাও পায়। তার মধ্যে বাংলা একাডেমিও আমাদের নিয়ে একটাবার ভাবলো না।’ এটুকু বলেই ছাগলটি তার চোখের কোণে গড়িয়ে পড়া জল মুছতে টিস্যুর দিকে হাত বাড়ায়। তবে দুঃখে খিদা পেয়ে যাওয়ায় সেটা চাবিয়ে খেয়ে ফেলে।

প্রচণ্ড লেফট আউট ফিল করছেন, এমনটা জানিয়ে ওই ছাগল চোখ মুছতে মুছতে বলেন, ‘প্রিয় ব্যাআআআংলা একাডেমি, ও কার কি শুধু গোরুদেরই প্রাপ্য? আমরা কি একটা ও কার পেতে পারি না? আপনাদের এই পক্ষপাতদুষ্ট এই আচরণে আমরা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি।’

‘ভূগোল’-এর রেফারেন্স দিয়ে ওই ছাগল আরও বলেন, ‘ভূগোলের মত একটা অকিঞ্চিৎকর বিষয়ও গ এ ওকারে গো পেলো, আর আমরা পেলাম না। আমরা এখনো সেই ছাগল হয়েই আছি। আমরা দাবি জানাই, অভিধানের ৪১৮ নম্বর পেজটা দ্রুত এডিট করে ওখানে গোরুর পাশে বড়বড় অক্ষরে ছাগোলটাও লিখে দিন।’ এসময় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত অন্যান্য ছাগলরা। তারা একে অন্যকে ‘তুই ছাগোল ‘ বলে সম্বোধন করতে থাকেন।

অন্যদিকে পাগলরাও এ ব্যাপারে সোচ্চার হতে শুরু করেছেন। গোরু-ছাগোলের মত ‘পাগল’ শব্দটার শুদ্ধ বানানও তারা চেয়েছেন৷





আরও পড়ুন eআরকিতে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: