পাবনায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত, অস্ত্র উদ্ধার

পাবনায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত তানজিল শেখ 
পাবনা সদর উপজেলার শিবরামপুর সুইচ গেট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার নাম তানজিল শেখ (৩৫)। পুলিশের খাতায় তিনি  সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত। বুধবার ( জুলাই) ভোররাতে এই ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১টি পিস্তল ১টি রিভলবার উদ্ধার করেছে। এসময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

নিহত তানজিল পাবনা পৌর এলাকার রামচন্দ্রপুর মহল্লার বাবু শেখের ছেলে।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ জানতে পারে যে, শিবরামপুর স্লুইস গেট এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালালে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবক পড়ে থাকে। পরে তাকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার নাম জানতে পেরেছি তানজিল শেখ। ঘটনাস্থল থেকে ২টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। 

ওসি জানান, নিহত তানজিলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরকসহ ৫টি মামলা রয়েছে। ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

প্রনোদনার টাকা পেয়েও নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিচ্ছে না,
শ্রমিক সংকটে উৎপাদন ব্যাহত: সংবাদ সম্মেলনে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি মালিকদের

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:  করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি শেষে নারায়ণগঞ্জে রপ্তানিমূখী বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানা চালু হলেও শ্রমিক সংকটের কারণে অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। প্রনোদনার ৬৫ শতাংশ টাকা নিজেদের একাউন্টে পেয়ে যাওয়ার কারনে শ্রমিকরা নানা অজুহাত দেখিয়ে কাজে যোগদান করছে না বলে দাবি করছেন গার্মেন্ট শিল্প মালিকরা। তারা আরো বলছেন, শ্রমিকদের কেউ কেউ বেতন বুঝে নিয়ে অন্য পেশায় কাজ করে অর্থ উপার্জনের পথ বেছে নিয়েছে। এ অবস্থায় কারখানা টিকিয়ে রাখতে শ্রম আইন অনুযায়ী স্বল্প সময়ে নানা জটিলতার কারণে শ্রমিক ছাঁটাই করে নতুন শ্রমিক নিয়োগ পারছেন না বলেও জানান গার্মেন্টস মালিকরা।

বুধবার দুপুরে নগরীর তল্লা এলাকায় রপ্তানিমূখী গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠান মডেল গ্রুপের কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে এ দূরবস্থার কথা তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে মডেল দি ক্যাপিটাল গার্মেন্টসের উপ-মহাব্যবস্থাপক  অনুপম কুমার সাহা জানান,  ছুটি শেষ হওয়ার পর এই প্রতিষ্ঠানের চারটি গার্মেন্টস কারখানায় দশ হাজার শ্রমিকের মধ্যে প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কাজে যোগদান না করে অনুপস্থিত রয়েছে। এই শ্রমিক সংকটের কারণে কারখানাগুলোতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বিদেশি বায়ারদের (ক্রেতাদের) অর্ডার অনুযায়ী শিপমেন্ট করতে পারছেন না। এ অবস্থা চলতে থাকলে বায়াররা বিমূখ হয়ে অর্ডার বাতিল করলে গার্মেন্টস শিল্প বিপর্যয়ের মুখে পড়ে কোটি কোটি ডলারের রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন তারা।

দেশের পোশাক কারখানার রপ্তানি খাতকে সচল রাখতে শ্রমিকদের বাধ্যতামুলক কাজে যোগদান করার ব্যাপারে শ্রম আইনে নতুন আইন প্রণয়ন করতে সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন মডেল গ্রুপের পরিচালক কানাই সরকার, মহা-ব্যবস্থাপক মনির হোসেন ও উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রশাসন অনুপ কুমার সাহাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

আমির হোসাইন স্মিথ 
নারায়ণগঞ্জ।
তারিখ: ০৮.০৭.২০২০ 

 

 

 

 





আরও পড়ূন বাংলা ট্রিবিউনে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: