আমি প্রেসিডেন্ট, কোচ ও খেলোয়াড়: ইব্রাহিমোভিচ

 ইব্রাহিমোভিচআটত্রিশ বছর বয়সেও জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের ম্যাজিক চলছে। মাঠ এবং মাঠের বাইরে সমানে। মঙ্গলবার দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ইব্রার ক্যারিশমায় এসি মিলান ৪-২ গোলে হারিয়েছে শিরোপার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা জুভেন্টাসকে। আর এই জয়ের পর পুরোনো ইব্রা প্রকাশিত হলেন স্বরূপে। বললেন, মিলান আগে যদি তাকে আনতো, তাহলে স্কুদেত্তোই হয়তো জিতে নিতো এবার। ‘আমি যদি মৌসুমের শুরু থেকেই এখানে থাকতাম, আমরা হয়তো স্কুদেত্তোই (লিগ শিরোপা) জিতে নিতাম। আমিই প্রেসিডেন্ট, কোচ ও খেলোয়াড়, কিন্তু বেতন পাই শুধু খেলোয়াড় হিসেবে’-মঙ্গলবার জুভেন্টাসকে হারিয়ে সংবাদমাধ্যম ডিএজেডএনকে বলেছেন মিলানের সুইডিশ ফরোয়ার্ড।

করোনভাইরাস-নির্বাসন কাটিয়ে আবার সিরি আ মাঠে ফেরার পর মিলান যেন নিজেদের পুনরুজ্জীবিত করেছে। সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জয়, একটি ড্র। ফর্মের বিচারে তারা এখন ইতালির লিগে দ্বিতীয়, আতালান্তার পরই তাদের অবস্থান। কিন্তু মৌসুমের শুরুর দিকে এত বাজে ফল করছিল মিলান সেখান থেকে এখন পঞ্চম স্থানে উঠে আসাটাও বিস্ময়কর। এতে হয়তো ইউরোপা লিগে জায়গা মিলবে, চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিটও হাতে আসতে পারে। তবে শিরোপা জয় সম্ভব নয়। কারণ ৩১ ম্যাচ শেষে ৭৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে জুভেন্টাস, দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাৎসিওর পয়েন্ট ৬৮। ৩০টি করে ম্যাচ শেষে তৃতীয় স্থানে থাকা ইন্টার মিলানের পয়েন্ট ৬৪, আতালান্তার ৬৩। আর খুবই সঙ্গীন অবস্থা থেকে পাঁচে উঠে আসা মিলানের হাতে ৩১ ম্যাচ শেষে ৪৯। বাকি সাত ম্যাচের সবগুলো জিতলেও তাদের পয়েন্ট ৭০-এর বেশি হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ শিরোপার স্বপ্ন জলাঞ্জলি গেছে অনেক আগেই। এজন্যই নিজেকে মিলানের ‘পুনরুত্থানের নায়ক’ দাবি করে ইব্রা বলেছেন তিনি আরেকটু আগে এলে স্কুদেত্তো জেতা সম্ভব ছিল।

এদিন ৬২ থেকে ৬৭ – এই পাঁচ মিনিটের মধ্যে তিন গোল করেছে মিলান। ৮০ মিনিটে আন্তে রেবিচ চতু্র্থ গোল করে জুভেন্টাসের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেছেন, অসাধারণ এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখা হয়েছে। জুভেন্টাসের কাছে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ইতিহাসে এই প্রথম ইতালির অভিজাত দলটি।

কিন্তু জুভেন্টাস এভাবে হারলো কেন? ডিএজেডএনকে জুভে কোচ মরিজিও সারি বলেছেন, ‘আমি মনে করি আমাদের প্রথম ৬০ মিনিটের খেলা ছিল বিশ্বমানের। তারপর সবকিছু অন্ধকারে ডুবে গেছিল ১৫ মিনিটের জন্য। এই সময়টায় অন্য দলের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটেছে। এ ম্যাচ থেকে আমাদের ইতিবাচক দিকই খুঁজে নিতে হবে, যা আমরা পাবো প্রথম ঘণ্টার পুরো নিয়ন্ত্রণে।’ 





আরও পড়ূন বাংলা ট্রিবিউনে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: