ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক গ্রেপ্তার

ফাইল ছবিবুড়িগঙ্গায় মর্নিং বার্ড লঞ্চডুবি মামলার প্রধান আসামী ময়ুর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হানিফকে (৩২) রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করেছে নৌপুলিশ। গত ২৯ জুন ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাট টার্মিনালের কাছে ফরাশগঞ্জ ঘাট এলাকায় এমভি মর্নিং বার্ডকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয় ময়ূর-২ লঞ্চটি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নৌপুলিশের সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে সদরঘাট থানার নৌপুলিশ রাজধানীর সোবহানবাগের তল্লাবাগ এলাকা থেকে মোসাদ্দেক হানিফকে গ্রেপ্তার করে। ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ দুপুরে তাঁকে জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হবে।

মর্নিং বার্ড লঞ্চডুবিতে ৩৪ জন যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় গত ২৯ জুন নৌপুলিশ সদরঘাট থানার উপপরিদর্শক সামশুল আলম বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হানিফকে প্রধান আসাসি করে ৭ জনকে এজাহারভুক্ত করা হয়।

বুড়িগঙ্গার লঞ্চডুবিতে ৩৪ জনের মৃত্যুর জন্য ময়ূর-২ নামের লঞ্চটিকে দায়ী করে প্রতিবেদন দিয়েছে ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি। কমিটি সদরঘাট থেকে খেয়াঘাট সরিয়ে নেওয়া ও সদরঘাটে লঞ্চ অলস বসিয়ে না রাখাসহ ২০ দফা সুপারিশ করেছে।

তদন্ত কমিটি বলছে, মুন্সিগঞ্জ থেকে ঢাকার সদরঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা মর্নিং বার্ডকে ময়ূর–২ প্রথমে ধাক্কা দিলে লঞ্চটি আড়াআড়ি হয়ে যায়। এরপর লঞ্চটির ওপর ময়ূর-২ উঠিয়ে দেওয়া হয়। কমিটি দুর্ঘটনার জন্য ময়ূর–২ লঞ্চের মাস্টার (চালক) ও সে সময় লঞ্চ চালানোর সঙ্গে যুক্ত অন্যদের প্রধানত দায়ী করেছে।

২৯ জুন মুন্সিগঞ্জ থেকে ঢাকার সদরঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটিকে বুড়িগঙ্গায় ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয় ময়ূর-২ নামের একটি লঞ্চ। এ ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। ময়ূর-২ নামের লঞ্চের মালিকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে করা মামলাটি তদন্ত করছে নৌপুলিশ।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: