চলে গেলেন মহীনের ঘোড়াগুলির রঞ্জন ঘোষাল

রঞ্জন ঘোষালবাংলা সংগীতে নক্ষত্রপতন। চলে গেলেন মহীনের আরও এক ‘ঘোড়া’, রঞ্জন ঘোষাল!
আজ (৯ জুলাই) ভোরে ঘুমের ভেতরেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন দুই বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড মহীনের ঘোড়াগুলির এই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ভারতের বেঙ্গালুরুতে নিজ বাসাতে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
কলকাতার বাংলা ব্যান্ডের পথ শুরু হয় মহীনের ঘোড়াগুলির হাত ধরেই। আর সেটিকে গড়ে তোলার পেছনে অন্যতম অবদান ছিল রঞ্জনের।

শুধু গান নয়, পড়াশোনাতেও তুখোড় মেধাবী ছিলেন তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক, পরবর্তী সময়ে মুম্বাইয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে উচ্চশিক্ষা নেন। তারপরও সবসময় ছিলেন গানের সঙ্গেই।
মহীনের ঘোড়াগুলির প্রথমে নাম ছিল সপ্তর্ষি। রঞ্জন ঘোষাল ছাড়াও ব্যান্ডের সদস্য ছিলেন তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস দাস, আব্রাহাম মজুমদার, বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় ও প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়।

১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ ব্যান্ডটিতে তিনি ‘ভেসে আসে কলকাতা’, ‘সংবিগ্ন পাখিকুল’, ‘মেরুন সন্ধ্যালোক’র মতো গান লিখেছেন। এছাড়া গল্প ও অনুগল্পে তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, গত বছর রঞ্জনের বিরুদ্ধে মিটু-র অভিযোগও ওঠে। রঞ্জন জানান, ১৫ বছর আগে এটি নিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। এবং মামলাটি আদালতে প্রত্যাখ্যাত হয়। গত বছর সে পুরনো বিষয়টি ফেসবুকে আনেন তার পুরনো ছাত্রী। এরপর অক্টোবরে সামাজিক যোগাযোগের এই প্ল্যাটফর্মে ক্ষমা প্রার্থনা করে পোস্ট দিয়েছিলেন রঞ্জন। শোনা যায়, তারপর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। গত আট মাস নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন সোশাল মাধ্যম থেকেও। অতঃপর নীরবেই দিকশূন্যপুরের দিকে পাড়ি দিলেন রঞ্জন।





আরও পড়ূন বাংলা ট্রিবিউনে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: