প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা পদ্ধতি জানালেন গণশিক্ষা সচিব

আকরাম-আল-হোসেন

নিজস্ব দায়িত্ব ও ব্যবস্থাপনায় সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা অনুষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান শিক্ষক। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।
বার্ষিক পরীক্ষা মূল্যায়ন বা এমসিকিউ পদ্ধতিতে নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘এটা স্কুল কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে, আমরা তাদের দায়িত্ব দেব। শিক্ষকরা যেভাবে প্রশ্ন করবেন, সেভাবেই হবে, স্ব স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ সিদ্ধান্ত দেবেন।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব আরও বলেন, ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে (নেপ) তিনটি বিকল্প পাঠ পরিকল্পনা করতে বলেছিলাম। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসের জন্য তিনটি পরিকল্পনা করতে বলা হয়েছিল। যেহেতু সেপ্টেম্বরে এখনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি, তাই সেপ্টেম্বরকে বিকল্প হিসেবে ধরছি না। অক্টোবর এবং নভেম্বরকে সামনে রেখে যে পাঠ পরিকল্পনা করেছি, সেটাকে সামনে রেখে, সেটার ভিত্তিতে প্রত্যেকটা স্কুল ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত প্রশ্নপত্র করে পরীক্ষা নেবে।
বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এই পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে না। প্রতিমন্ত্রী জানান, এবার পঞ্চম শ্রেণির দুই সমাপনী (প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি) পরীক্ষার ২৯ লাখ শিক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একসঙ্গে বসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কবে স্কুল খুলতে পারব।
তিনি বলেন, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কীভাবে স্কুল রি-ওপেনিং হবে সেই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে আমরা এটা জারি করবো। স্কুল রি-ওপেনিং হলে কী কী করতে হবে, সেটা ওই নীতিমালার মধ্যে বলা আছে। প্রত্যেকটা স্কুলকে বলেছি, নিজেদের মতো করে রি-ওপেনিং প্ল্যান করতে। কারণ একেক স্কুলের ছাত্র সংখ্যা একেক রকম। এসব বিবেচনায় নিয়ে তারা পরিকল্পনা করবেন।
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পাঠদানের ধারাবাহিকতা রাখতে সংসদ টিভি এবং বেতারে ক্লাস পরিচালনা ছাড়াও অনলাইনে পাঠদানের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।





আরও পড়ূন বাংলা ট্রিবিউনে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: