টেকনাফে বন্যহাতির আক্রমণে রোহিঙ্গা নারীর মৃত্যু

বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কাজ করা স্বেচ্ছাসেবীরা
কক্সবাজারের টেকনাফে ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে বন্যহাতির আক্রমণে রাশিদা বেগম (৩০) নামে এক রোহিঙ্গা নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোররাতে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন আর্মড পুলিশ সদস্যরা। ওই নারী টেকনাফের নতুন লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত মমতাজের মেয়ে।

এ নিয়ে গত তিন বছরে হাতির আক্রমণে ১৪ জন রোহিঙ্গাসহ ২২ জনেরও অধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘রাতে ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা থেকে এক রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে বন্যহাতির আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে।’

টেকনাফ নতুন লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘পাহাড়ে বাগানে কাজ করতে যাওয়া ক্যাম্পের এক নারী বন্যহাতির আক্রমণে মারা গেছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় একদল বন্য হাতি প্রবেশ করে। এ সময় বন্যহাতির দল দেখে লোকজন দিজ্ঞিবিদিক পালাতে থাকে। এতে বন্যহাতির আক্রমনে ঘটনাস্থলে মারা যায় এক রোহিঙ্গা। পুলিশের অনুমতি ফেলে লাশ দাফন সম্পন্ন করা হবে।

টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প আর্মড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. রকিবুল ইসলাম জানান, ‘ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা থেকে এক রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা মনে হচ্ছে বন্যহাতির আক্রমণে তার মৃত্যু হয়েছে। সে সেখানে বাগানে কাজ করতে গেছিলো বলে জানা গেছে।’

বনবিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমেদ বলেন, ‘২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে সহিংসতার পর উখিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা। পাহাড়ি এলাকার গাছপালা কেটে তারা গড়ে তুলেছে অসংখ্য ঝুপড়ি ঘর। এতে বাসস্থান ও খাবার সংকটে পড়া হাতির দল বিভিন্ন সময় লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে।’ এতে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান তিনি।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: