নারায়ণগঞ্জে করোনা সংক্রমণের হার ১২ শতাংশে নেমে এসেছে

নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার কমে আসছে। প্রথম দিকে সংক্রমণের হার ২০ শতাংশ থাকলেও এখন তা কমে ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। এ তথ্য জানিয়েছেন করোনা প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও  বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সচিব রকিব হোসেন। তার মতে, সংক্রমণের হার ৯ শতাংশের নীচে নামিয়ে আনা গেলে বলা যাবে নারায়ণগঞ্জে  করোনা সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে  নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে  করোনা প্রতিরোধ মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের টিম কাজ করেছে বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। সংক্রমণের হার কমে আসার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। কী কারণে সংক্রমণের হার বেড়েছিল, কেন এটা ঠেকানো সম্ভব হয়নি বা কী কারণে কমতির দিকে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে সেটি বিশ্লেষণ করা হবে। এসব কৌশল পরে অন্য স্থানগুলোতে প্রয়োগ করে করোনার সংক্রমণ রোধে কাজ করা হবে।

রকিব হোসেন বলেন, দ্বিতীয় ফেজে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এবং শীতকালীন সময়ে তাপমাত্রার সঙ্গে যদি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কোনও যোগসূত্র থাকে সেটি ঠেকানোর জন্য আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ ছুটি বা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য আমাদের যে ঢিলেঢালা ভাব ছিল সেগুলো চিহ্নিত করে কঠোরভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। যাতে শীতকালে করোনার সংক্রমণ রোধ করা যায়।

তিনি আরও জানান, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জায়গায় গরুর হাট না বসানোর জন্য সুপারিশ করেছেন। সেটা বিবেচনায় নিয়ে কয়েকদিন আগে আমরা বড় পরিসরে একটি সভা করেছিলাম। সেই সভায় কোরবানির ঈদে হাট ও সংক্রমণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য গরুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য বলেছি।

জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন মো. ইমতিয়াজ আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খাদিজা খানম, খানপুর তিনশ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায়, জেলা করোনা ফোকাল পার্সন ডা. জাহিদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

আরও একজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩৭

নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তি সিটি করপোরেশনের দেওভোগ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মোট ১২১ জনের মৃত্যু হলো। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ৩৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ জেলায় করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ৫৩৯ জনে। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫২৬ জন। শনিবার জেলা সিভিল সার্জনের অফিসের ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

 





আরও পড়ূন বাংলা ট্রিবিউনে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: