৮০ লিটার স্যানিটাইজারের ফরমায়েশ দিয়ে…

প্রতীকী ছবিকৌশলের অংশ হিসেবে প্রথমেই অগ্রিম টাকা দিয়ে ৮০ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ফরমায়েশ দেওয়া হলো। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মালিক বারবারই অনুৎসাহিত করে যাচ্ছিলেন কারখানায় যেতে। তিনি নিজেই ক্রেতার কাছে পণ্য পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। সে অনুযায়ী তাঁর এক সহযোগীর মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরের বকশির হাট এলাকায় ক্রেতার কাছে পাঠান সেসব হ্যান্ড স্যানিটাইজার। আর সেসব দিতে এসেই তিনি ধরা পড়লেন।

শনিবার এভাবে ফাঁদ পেতেই ‘জমজম ক্যামিকেল অ্যান্ড পারফিউমারি’ নামের একটি নকল সুরক্ষা সামগ্রীর মালিকের সহযোগীকে ধরলেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর ওদিকে খবর পেয়ে কারখানা বন্ধ করে পালিয়ে মালিক।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, যিনি হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করতে এসেছিলেন তাঁর নাম মানিক ঘোষ। তাঁর মানিক এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান আছে। অন্যদিকে জমজম ক্যামিকেল অ্যান্ড পারফিউমারি নামের কারখানার মালিক মনসুর আলী। মানিক ঘোষ এই মনসুর আলীর কাছে স্পিরিট ও মিথানল বিক্রি করেন। সঙ্গে হ্যন্ড স্যানিটাইজার বিক্রয়েও সহায়তা করেন। পাশাপাশি নিজেও এসব নকল পণ্য বিক্রি করেন। নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রয় ও মানুষের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে পালিয়ে যাওয়াও জমজম ক্যমিকেল অ্যান্ড পারফিউমারির মালিককে ধরা যায়নি। তবে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, জেল রোডে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অবৈধ ব্যবসা করে আসছিল বলে আমরা জানতে পারি। পরে তাদের ধরার জন্য ফাঁদ পাতা হয়। দুটি প্রতিষ্ঠানই বিভিন্ন প্রকার কেমিক্যাল সামগ্রী মিশিয়ে নকল হ্যন্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছে। এসব স্যানিটাইজার মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: