লাইব্রেরিতে বই পড়ার যে ১০টি আদব-কায়দা না জানলে লাইব্রেরিতে আদৌ ঢুকবেন না

লাইব্রেরিতে বই পড়া এখনকার দিনে খুব একটা ‘ফ্যাশনের অনুষঙ্গ’ না হলেও, অনেকেই পাবলিক লাইব্রেরি বাদেও হল কিংবা ভার্সিটির লাইব্রেরিতে এখনও পড়াশোনা করে থাকেন। তাদের জন্যই এই লেখা, এক নজরে জেনে নিন লাইব্রেরিতে বই পড়ার ১০টি অতি গুরুত্বপূর্ণ আদব!

১# ফোনের রিংগার অফ রাখবেন মাছ-বাজারে, লাইব্রেরিতে কেন? রিং কয়েকবার বাজলে ফোন ধরুন। উচ্চস্বরে কথা তো বলবেনই, পারলে লাউড স্পিকারে কথা বলুন।

২# বই লাইব্রেরির সম্পত্তি হলেও, লাইব্রেরি তো গণমানুষের জন্যই। কাজেই সেই বই আপনারও সম্পত্তি। যে পাতাগুলো দরকার, সেইগুলি ছিঁড়ে নিন।

৩# লাইব্রেরির বই জামার ভাঁজে ঢুকিয়ে নিয়ে আসুন। পরের গাছের আম যেমন খেতে মজা, লাইব্রেরির বই লুকিয়ে এনে পড়ারও আনন্দই আলাদা।

৪# কলম জিনিসটার ব্যবহার আজকাল উঠেই গেছে। সবাই কম্পিউটার আর মোবাইলেই লেখালেখি করে। আপনি কলমের ব্যবহার পুর্নোদ্যমে ফিরিয়ে আনুন, লাইব্রেরির বই সমানে দাগান।

৫# পড়বেন একটা বই, বা পড়বেন না। কিন্তু বই নামাতে কসুর করবেন না। বুক শেলফ থেকে একসাথে বিশটা বই নামাবেন। তাতে বিদ্বান হিসেবে আশেপাশের টেবিলে আপনার নাম-ধাম হবে।

৬# আজকাল করোনার কারণে চায়ের টঙে বসাই দায়। তাই বন্ধু মহল নিয়ে লাইব্রেরিতে বসুন। এসি ঘরে বসে রাজা উজির মারুন।

৭# মনে মনে বই পড়বেন বাসায়। লাইব্রেরিতে যাবেন পড়া মুখস্থ করার জন্য। উচ্চস্বরে বই না পড়লে কি পড়া মুখস্থ হয়?

৮# শুধু কি সাহিত্যিক-জ্ঞানী-গুনীরাই বই লিখবে? আপনি লিখবেন না? কেন, আপনি কি মানুষ না? আপনিও বইয়ের পাতায় পাতায় লিখুন আপনার নাম, প্রেমিকার প্রতি আপনার কতটুকু ভালোবাসা। বিশ্বাস করুন, মানুষ এগুলোই মন দিয়ে পড়বে।

৯# শুধু শুধু বই পড়তে আর কতক্ষণ ভালো লাগে? মাঝেমাঝেই বৈচিত্র্য আনুন। খাকারি দিয়ে কাশুন। নাকে আঙুল দিয়ে হাঁচুন। মাঝেমাঝে নাক দিয়ে ঘড়ত করে টান দিন। এতে পড়ায় মনোযোগ বাড়ে।

১০# দুই তিনটা মোটা বই নিয়ে একটা আড়াল মতো তৈরি করুন আপনার সামনে। এরপর টেবিলে মাথা রেখে একটা আরামের ঘুম দিন। বিশ্বাস করেন, এত ভালো ঘুম হবে, যেমন ঘুম আপনি বহুদিন দেননি।





আরও পড়ুন eআরকিতে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: