দ. আফ্রিকার চার্চে ‘জিম্মি অবস্থার’ অবসান, নিহত ৫

দক্ষিণ আফ্রিকার একটি চার্চে বন্দুকধারীরা ঢুকে পড়ার পর পাঁচ জন নিহত হয়েছে। নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সকালে জোহানেসবার্গের বাইরের একটি চার্চে জিম্মি পরিস্থিতির মতো ঘটনার পর বেশ কয়েক জন নারী, শিশু ও পুরুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত ৪০ জনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইন্টারন্যাশনাল পেন্টেকোস্টাল হোলিনেস চার্চের পুরনো নেতা ২০১৬ সালে মারা যান। তারপর থেকেই এটির নেতৃত্ব নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ চলছিল। ২০১৮ সালেও একবার চার্চটির সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির পর পুলিশ ডাকা হয়। শনিবারের ঘটনার পরও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এদিনে চার্চে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়া ব্যক্তিরা সেখানকার সদস্য ছিলেন।

গত বছর চার্চটির আর্থিক বিবরণীর বিষয়টি আলোচনায় আসে। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্য সোয়েতান সংবাদপত্র জানায় চার্চটির প্রায় ১১ কোটি র‍্যান্ডের কোনও হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।

শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল তিনটা নাগাদ জুরবেকম এলাকার চার্চটিতে পুলিশ ডাকা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর সেখান থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

দক্ষিণ আফ্রিকা পুলিশের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার ভিশ নাইডু বলেছেন, হামলাকারী দলটি চার্চে ঢুকে দাবি করে তারা সেখানকার নিয়ন্ত্রণ নিতে এসেছে। তিনি জানান, মৃতদের মধ্যে চার জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এবং অপর একজনকে একটি গাড়িতে পুড়ে যাওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া পুলিশকে খবর দেওয়া একজন নিরাপত্তা রক্ষী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।চার্চ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র

উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি রাইফেল, ১৬টি শটগান এবং ১৩টি পিস্তল। দক্ষিণ আফ্রিকান পুলিশ সার্ভিস (এসএপিএস) জানিয়েছে, গ্রেফতার করা ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

ধারণা করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকায় ইন্টারন্যাশনাল পেন্টেকোস্টাল হোলিনেস চার্চের প্রায় ৩০ লাখ অনুসারী রয়েছেন।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: