‘বকেয়া বিরোধের কারণে’ ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ হারালো রবি

0 24
Loading...

অডিট আপত্তির পাওনা দাবির ‘বিরোধে’ চলতি বছরে ১৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আনতে পারেনি রবি।

আর এই বিনিয়োগ পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাও তাদের নেই।

তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে করানো অডিটে রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা দাবি বিটিআরসির। আর এ পাওনা দাবি নিয়ে বিরোধে অপারেটরটির বিরুদ্ধে ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ব্লক, এনওসি বন্ধ, লাইসেন্স বাতিলে কারণ দর্শানো নোটিশ, প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্তের মতো ব্যবস্থা নেয় বিটিআরসি।

রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলছেন, ‘বিটিআরসির এই বিধিনিষেধ আরোপ দেশের জন্য ক্ষতিকারক, জনগণের জন্য ক্ষতিকারক, ওনাদের নিজেদের জন্য ক্ষতিকারক। রবির জন্য যত না ক্ষতি তার চেয়ে বেশি ক্ষতি জনগণ এবং দেশের।’

‘যেহেতু এই বিধিনিষেধটা আসছে প্রথম প্রান্তিকের শেষের দিকের সময় হতে। এতে রবির প্রায় ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ আটকে গেছে, এটি এখন হবেও না, আসবেও না’ বলছিলেন তিনি।

রবির সিইও বলেন, ‘১৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে গড়ে কাস্টম ডিউটি দেয়া হতো ১০ শতাংশ। সে হিসেবে ১২৭ কোটি টাকা পেতো সরকার। এই বিনিয়োগে যন্ত্রপাতি আনা হতো, নতুন নতুন টাওয়ার তৈরি হতো-এতে রেভিনিউ জেনারেট হতো।’

‘আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি সরকারকে কন্ট্রিবিউট করি-যা বিটিআরসি ও এনবিআর দু’জনেই ভাগিদার। এই রেভিনিউও তারা হারাচ্ছে, জনগণও আর সেবা পাচ্ছে না ’ বলেন তিনি।

বিটিআরসি কার স্বার্থ রক্ষা করছে ? প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, বিনিয়োগ না হলে ক্ষতি দেশের হবে, জনগণের হবে। রবি এক বছর বিনিয়োগ না করলে কষ্ট করে ব্যবসা হলেও চালিয়ে যেতো পারবে। কিন্তু দেশের স্বার্থ রক্ষা হবে না।

তিনি বলেন, দুটি অপারেটর মিলে মার্কেট শেয়ার ৭০ শতাংশের বেশি। আর এই ট্রাফিক ওভার নাইট অন্য জায়গায় নেয়া সম্ভব না।

রবির এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন ‘ আমাদের পীড়াপীড়ি করা হচ্ছে ২৫ কোটি বা ৫০ কোটি টাকা দিয়ে নোগোসিয়েশন শুরু করার জন্য। তবে এটার আইনসঙ্গত ভিত্তি কী তা বলতে পারছি না পুরোপুরি।’

‘একটি আলোচনা হয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টর সঙ্গে। ওখানে যে টাকা এগ্রি করা হয়েছিল সেখানে রবি রাজি আছে। কিন্তু এটি এগোয়নি কেনো বলা মুশকিল’ জানান তিনি।

মঙ্গলবার গুলশানে রবির প্রধান কার্যালয়ে টেকশহরের সঙ্গে এই আলাপচারিতায় উপস্থিত ছিলেন রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম।

Loading...

মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More