উপনির্বাচন পেছাতে ফের ইসিতে জাতীয় পার্টি

যশোর-৬ এবং বগুড়া-১ আসনের উপনির্বাচনের তারিখ পেছাতে আবারও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) গিয়েছে সংসদের বিরোধী দলীয় দল জাতীয় পার্টি। আগামী ১৪ জুলাই অনুষ্ঠেয় ওই নির্বাচন পেছানের জন্য এর আগেও ইসিতে গিয়েছিল দলটি। পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর কারণে ভোট পেছানোর দাবি জানিয়ে আসছে দলটি। এর আগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এবং মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা সংসদে উপনির্বাচন পেছানোর দাবি তোলেন।

রবিবার (১২ জুলাই) দলের কো-চেয়ারম্যান সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন। এই দিন দুপুর ২টার দিকে জাপা চেয়ারম্যানের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেন, ‘১৪ জুলাই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি জাতীয় পার্টির অগনিত নেতাকর্মী ও এরশাদ প্রেমিদের কাছে শোকের। দেশের লাখো মানুষ বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করবেন তাকে। দলীয়ভাবে জাতীয় পার্টি দিনটিতে শোক, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় নানা কর্মসূচি পালন করবে। তাই উপনির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করতে কমিশনকে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় নির্বাচন কমিশনার বলেছেন কোনও ভাবেই সংবিধান লঙ্ঘন করা যাবে না। তবুও তারা বিষয়টি ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। এর আগে গত ৯ জুলাই সিইসি বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছিলাম কিন্তু তার কোনও উত্তর আমরা পাইনি।’

ইসিতে যাওয়া প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম ওমর এবং পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন।

সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা জানান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের সংসদের বক্তৃতায় উপনির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি গত সপ্তাহে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই বিষয়ে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের একটি চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ওই দুই সংসদীয় আসনে ২৯ মার্চ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত করা হয়। এখন করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকে এই নির্বাচন করছে ইসি। ১৫ জুলাই বগুড়া-১ আসনের এবং ১৮ জুলাই যশোর-৬ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংবিধান নির্ধারিত ১৮০ দিন শেষ হতে যাচ্ছে। এদিকে বিএনপি ইতোমধ্যে ওই নির্বাচনে অংশ নিবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: