লকডাউনে যে ১০টি কাজ না করে থাকলে আপনার লকডাউন বৃথা

ছাদ কিংবা বারান্দায় গিয়ে একটু উঁকি দিলেই দেখবেন, বাংলাদেশ এক্কেরে স্বাধীন। কোথাও কোনো লকডাউন নেই। তবু এর মধ্যেও অনেকে এখনও ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন কিংবা কোয়ারেন্টাইন বজায় রেখে চলছেন। ১০০ দিনের সেঞ্চুরি পার করা সেই সুদীর্ঘ লকডাউনে বেশ কিছু কাজ বা অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে প্রায় সবাইকেই যেতে হয়েছে। দেখুন তো, লকডাউনের সময়টাতে নিচের কাজগুলা আপনিও করেছেন কিনা। না করে থাকলে বুঝবেন, আপনার লকডাউন আসলে ‘সহীহ’ হয় নাই।

১# ফেসবুকে এক বা একাধিক লাইভ করেছেন। আর যদি একটাও লাইভ না করে থাকেন, লকডাউনকে সার্থক করতে আজকে এক্ষুনি লাইভে যান।

২# গ্রুপ খোলা ও ইনভাইট করার স্বর্ণালি সময় ছিলো এই লকডাউন। আপনি কোন গ্রুপ খোলেননি, কাউকে গ্রুপে ইনভাইট করেননি, কোন গ্রুপে অ্যাড হওয়ার ইনভাইটেশনও পাননি? সরি, আপনার আইডি আপনাকে মেনে নিবে না।

৩# পুরো লকডাউনে অন্তত একটাও জুম মিটিং না করলে কিসের লকডাউন করলেন!

৪# লকডাউনের ভেতর অন্তত একবারের জন্য হলেও বউ-জামাই, ভাই, ভাতিজা, বাবা কারও না কারো চুল কেটে দিয়েছেন (জোর করেও হলেও)। আচ্ছা, বাকিদেরটা বাদ দেন। নিজেরটা?

৫# বাসার কাজ করতে গিয়ে প্লেট ভাঙ্গা, ভাতকে সিরনি বানিয়ে ফেলা, রান্না করতে গিয়ে তরকারি নষ্ট করে ফেলাসহ মায়ের/বউয়ের কাজে এমন ঝামেলা না বাধাইলে আপনি পুরাই দায়িত্বজ্ঞানহীন লকডাউন কাটাইলেন।

৬# ফেসবুকে কোন গেম না খেলে থাকলে, কোন চ্যালেঞ্জে ইনভাইট না পেলে, কোন কুইজে অংশগ্রহণ না করলে, কোন পোস্টের কমেন্টে মেনশন না হইলে আপনার লকডাউন কখনোই শেষ হবে না।

৭# রুমের টাইলস গোনা, বিছানার ব্লক গোনা, ফ্যান কতবার ঘুরে বন্ধ হয় তা গোনাসহ সময় কাটানোর জন্য আরো নানাবিধ ক্রিয়েটিভ কাজ করে না থাকলে নিশ্চিত, আপনি লকডাউনে ফাঁকি দিয়েছেন।

৮# ফেসবুকে আগে কখনোই কথা হয়নি এমন একাধিক অপরিচিতর সাথে কথা বলেছেন। তাই না, তাই না?

৯# করোনার পর কী করবেন, এই কল্পনায় দীর্ঘ অলস সময় কাটিয়েছেন! (এইটা মনে হয় কারোই মিস হয় নাই!)

১০# ‘আয়হায়! করোনা হয়ে যায়নি তো?’ জ্বর, সর্দি হলেই এমন প্যানিক না করে থাকলে কিসের লকডাউন কাটালেন!





আরও পড়ুন eআরকিতে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: