আশুগঞ্জ-আখাউড়া চার লেন প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ

ভূমি মালিকদের সংবাদ সম্মেলনব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌ-বন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ভিটি (বসতভিটা) ভূমিকে নাল (প্রতিত) দেখিয়ে অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ভাদুঘর মৌজার ২৩ জন ভূমি মালিক।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভূমি মালিক মো. হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে ২০১৭ সালের ভূমি অধিগ্রহণ নীতিমালা অনুযায়ী, অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অধিগ্রহণ করা ভূমিস্থলে ভূমির প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরে ভিডিও চিত্র ধারণ করেন। পরে ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল যৌথ তদন্তের জন্যে অধিগ্রহণ করা ভূমি মালিকদের নোটিশ দেওয়া হয়। ওই বছরের ২২ মে যৌথ তদন্ত করে ভূমির প্রকৃত অবস্থান তুলে ধরে মালিকদের কাছ থেকে যৌথ স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসন গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। গণবিজ্ঞপ্তিতে ভূমি মালিকেরা তাদের জমির শ্রেণি পরিবর্তনের বিষয়টি দেখতে পান। প্রায় ২৯টি আলাদা দাগ নম্বরে ভিটি ভূমির স্থলে তাদের জমি নাল হিসেবে দেখানো হয়। পরে এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তথ্য প্রমাণসহ তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কাছে আবেদন করেন। তবে জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম বিভাগীর কমিশনারের পক্ষ থেকে কোনও ধরনের সাড়া পাওয়া যায়নি।’

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, তাদের আবেদনগুলো আমলে না নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের প্রতি অমানবিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ভূমি মালিকেরা আরও জানান, শতাধিক পরিবারের আবাসস্থল অধিগ্রহণ করার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। এ অবস্থায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রকৃত ভিটি ভূমি ও স্থাপনার মালিকেরা যেন ন্যায্যতার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ পান;  এ ব্যাপারে তারা সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

 





আরও পড়ূন বাংলা ট্রিবিউনে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: