সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

উজানের পাহাড়ি ঢল আর ভারী বর্ষণে সিরাজগঞ্জে চার দিন ধরে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। সোমবার সকালে পানি দ্বিতীয় দফায় বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবোর) সিরাজগঞ্জ কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী রনজিত কুমার বলেন, সোমবার বিকেলে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে পানি ১৩ দশমিক ৪৮ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ১৭ সেন্টিমিটার বেড়ে সোমবার বিকেলে তা বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। যমুনা নদীতে আগামী ৭২ ঘণ্টা পানি বাড়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এদিকে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি দ্বিতীয়বার বিপৎসীমা অতিক্রম করায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই জেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বৃষ্টি আর বন্যার কারণে যমুনা নদীতে পানি বাড়ায় বড়াল, ফুলজোড়, হুরাসাগর, ইছামতী, গোহালা ও গুমানী নদীসহ জেলার অভ্যন্তরীণ সব নদ–নদীর পানি বাড়ছে। পানি বাড়া অব্যাহত থাকায় জেলার কাজীপুর, সদর, বেলকুচি, শাহজাদপুর এবং চৌহালী উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জেলা প্রশাসক ফারুক আহাম্মদ জানান, যমুনায় আবারও পানি বাড়ায় জেলায় বন্যার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। বন্যা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোতে ১২৫ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আরও ১ হাজার মেট্রিক টন চাল, শিশুখাদ্য ও গোখাদ্য বাবদ ৩০ লাখ এবং জিআর টাকা হিসেবে আরও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে জেলায় ১৭৯টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং ১৩টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা সদরে এবং প্রতিটি উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: