কপাল খুলেছে গত বছর ফেল করা ৩ লাখ শিক্ষার্থীর

গতবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করে ৯ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন। সেই হিসেবে গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করেছিলেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী, যারা এবার আর কোনো পরীক্ষায় অংশ না দিলেও উচ্চ মাধ্যমিকের সনদ পাবেন।করোনার কারণে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্তে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) অনলাইনে এক ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘গতবার যারা ফেল করেছে, তাদেরও জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে তারা এইচএসসির চূড়ান্ত মূল্যায়ন ঘোষণা করতে চান,যাতে জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।’ করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

গত ১ এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়। এইচএসসি পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এর আগে কয়েকদফা আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃইতোমধ্যেই ১০ সন্তানের পিতা-মাতা হয়েছেন তারা। আরও দু’টি সন্তান নিয়ে তারা ১৪ জনের পরিবার হতে চান। এমনই এক মার্কিন দম্পতির এই কাহিনী সামনে এলো।

আর তাদের এই ১৪ জনের পরিবার হওয়ার ইচ্ছের পেছনেও একটি গল্প রয়েছে।২০০৮ সালে বিয়ে হয় ক্রিস রজার্স ও কার্টনির। ২০১০ সালে প্রথম সন্তানের জন্ম দেন কার্টনি। তার পর আরও নয়বার মা হন তিনি। আগামী ১৯ নভেম্বর তাদের আরও একটি সন্তান আসতে চলেছে সংসারে। কার্টনি জানিয়েছেন, প্রথমে দু বার তার মিসক্যারেজ হয়ে যায়। তাই প্রতিবার প্রসবের আগে খুব টেনশন হয়।

তবে প্রথম দু’ বার ছাড়া আর কখনও বিশেষ সমস্যা হয়নি।ক্রিস-কার্টনির ১০ সন্তানের মধ্যে ছয় ছেলে ও চার মেয়ে। শুধু যে ‘বিশাল’ পরিবার তাই নয়। এই পরিবারের আরো একটি মজার বিষয় হল তাদের সবারই নাম ইংরেজি সি অক্ষর দিয়ে শুরু। ছেলে-মেয়েদের নাম রাখা হয়েছে ক্লিন্ট, ক্লে, ক্যাড, কেলি, ক্যাস, কোল্ট এবং কেস (যমজ), সেলিনা, সাইডু এবং করালি।কার্টনি জানিয়েছেন,

বিয়ের আগে ক্রিস জানিয়েছিলেন, তারা ১০ ভাই-বোন। তাই ক্রিস নাকি হাসতে হাসতেই বলতেন, তার মা যতগুলো সন্তানের জন্ম দিয়েছে, তারও ততগুলো চাই। ইতোমধ্যে সেই রেকর্ড হয়ে গেছে। আগামী নভেম্বরেই ক্রিসের মায়ের রেকর্ড ভাঙতে চলেছেন কার্টনি।এত বড় সংসারে খরচও বিস্তর। তার হিসাব দিতে গিয়ে ক্রিস জানিয়েছেন, তাদের মাসে খাওয়া-দাওয়ার পেছনে ১২০০ মার্কিন ডলার খরচ হয়।



আরও পড়ুন বাংলা ইনফোতে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: