ভারতে যে ২৩টি গাইডলাইন মেনে খুলবে সিনেমা হল

ভারতীয় সিনেমা হল

নতুন স্বাভাবিক সময়ে বিভিন্ন দেশে প্রেক্ষাগৃহ পুনরায় চালু হচ্ছে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে সিনেমা হল খোলার অনুমতি দিয়েছে সপ্তাহখানেক হলো। এবার দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ২৩টি গাইডলাইন দিয়েছে। এগুলো কর্মী ও দর্শকসহ সবাইকে মেনে চলতে হবে। 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে গাইডলাইনগুলো শেয়ার করেছেন ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভেদকার। এর মধ্যে টিকিট বিক্রির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক কাউন্টার খোলার নির্দেশিকা দুইবার উল্লেখ আছে। তাই ২৪টি গাইডলাইনের কথা বলা হলেও মূলত সংখ্যাটা হবে ২৩। 

১. প্রেক্ষাগৃহের মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট বিক্রি করা যাবে না।

২. দর্শকরা বসার সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৩. যেসব আসনে বসা যাবে না সেগুলো চিহ্নিত করে দেবে প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষ।

৪. হাত ধোয়ার উপকরণ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। 
৫. মোবাইল ফোনে আরোগ্য সেতু অ্যাপ ইনস্টল ও ব্যবহারের পরামর্শ দিতে হবে।

৬. থার্মাল স্ক্রিনিং ব্যবস্থা থাকবে। কোভিড-১৯ রোগের উপসর্গ কারও মধ্যে থাকলে তাকে প্রেক্ষাগৃহে ঢোকানো যাবে না।
৭. প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যাপারে নজরদারি রাখতে হবে এবং অসুস্থ কাউকে দেখলে সংশ্লিষ্টদের জানানো দায়িত্ব।

৮. একটি প্রদর্শনী শেষ হওয়া মাত্রই আরেকটি শুরু করা যাবে না। দুটি প্রদর্শনীর মধ্যে বড় ব্যবধান রাখা চাই।

৯. টিকিট বেচাকেনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি বেছে নিতে উৎসাহ জোগাতে হবে।

১০. টিকিট কাউন্টারসহ প্রেক্ষাগৃহের সব জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

১১. টিকিট বিক্রির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক কাউন্টার খোলা রাখতে হবে।

১২. প্রেক্ষাগৃহের ভেতর বিরতির সময় দর্শকদের বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানাতে হবে।
১৩. টিকিট বিক্রির জন্য কাউন্টারের সামনের মেঝেতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার চিহ্ন দিতে হবে।
১৪. টিকিট কাউন্টারে বেচাকেনায় ভিড় এড়াতে অগ্রিম বুকিং ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১৫. থুথু ফেলা পুরোপুরি নিষিদ্ধ।

১৬. হাঁচি ও কাশির ক্ষেত্রে শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে।
১৭. কেবল প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয় বেচাকেনা করা যাবে। প্রেক্ষাগৃহের ভেতরে খাবার নিষেধ। 
১৮. খাবার ও পানীয় বিক্রির একাধিক কাউন্টার থাকতে হবে।
১৯. প্রেক্ষাগৃহকর্মীদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য সুরক্ষা গ্লাভস, বুট, মাস্ক, পিপিই ইত্যাদি দিতে হবে। 
২০. যোগাযোগের মাধ্যম সহজ করতে দর্শকদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন নম্বর চাওয়া হবে।

২১. করোনাভাইরাস সম্পর্কিত মানহানিকর আচরণ কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।

২২. পুরো প্রেক্ষাগৃহের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের তাপমাত্রা ২৪-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে হবে।

২৩. প্রতিটি প্রদর্শনীর আগে, বিরতিতে ও সমাপ্তির পর মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হাত পরিষ্কার রাখার মতো স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে জনসেবামূলক ঘোষণা দিতে হবে।





আরও পড়ূন বাংলা ট্রিবিউনে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: