পুলিশ-সাবেক কাউন্সিলরসহ ছয় জনের নামে মামলা

মামলাকথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে সন্তানকে হত্যার অভিযোগ এনে পুলিশ কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলরসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক নারী। বুধবার (৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দিন মুরাদের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন বন্দুকযুদ্ধে নিহত জয়নালের মা জোহরা বেগম।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্যানেল আইনজীবী অরবিন্দ দাশ চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জোহরা বেগমকে এই মামলায় আইনগত সহায়তা করছে তিনি জানান।

জোহরা বেগমের দায়ের করা মামলায় আদালত যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন তারা হলেন- এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাছিম হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোবারক আলী, তার পিএস শামসু, পুলিশের ‘সোর্স’ ইলিয়াস, ফোরকান ও মিঠু কুমার দে।

অরবিন্দ দাশ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিজ সন্তানকে হত্যার অভিযোগে জোহরা বেগম মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে আরজি দাখিল করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত ছয় জনের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ২৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নগর গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।’

আদালত যাদের অপরাধ আমলে নেয়নি তারা হলেন- বায়েজিদ বোস্তামি থানার তৎকালীন ওসি (বর্তমানে চান্দগাঁও থানায় কর্মরত) আতাউর রহমান খন্দকার, এসআই নোমান ও দীপঙ্কর, কথিত পুলিশের সোর্স আলাউদ্দিন, কনস্টেবল মাসুদ রানা, হারুন ও লাল সুমন।

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ৩১ আগস্ট আমিন জুটমিলের সামনে মারামারি হয়। রাতে পুলিশ এসে জোহরা বেগমের ছেলে জয়নালকে ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু ওইদিন রাতে জোহরা বেগম থানায় গিয়ে তার ছেলেকে দেখেননি। পরদিন সকালে পুলিশ তাকে কাউন্সিলর মোবারক আলীর অফিসে যেতে বললে সকালে তিনি সেখানে যান। এসময় কাউন্সিলর মোবারক আলী ও তার সহযোগীরা তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখে এবং ভয়ভীতি দেখায়। পরে রাত ৯টায় তারা জোহরা বেগমকে ছেড়ে দিলে তিনি বাসায় ফেরেন। এরপর রাত ৩টার দিকে কয়েকজন এসে তাকে জানায়, জয়নালকে আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে গিয়ে তিনি জয়নালকে মৃত অবস্থায় পান। পরে জানতে পারেন জয়নাল পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন।

 

 





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: