কি আছে আইটেল এস ১৫ প্রো তে?


প্রায় ১ বছর লঞ্চ করা হয়েছে আইটেল এর বাজেট স্মার্টফোন আইটেল এস ১৫ প্রো। অপো, ভিভো, হুয়াওয়ে, স্যামসাং ইত্যাদি স্মার্টফোনের মতো আইটেল বাংলাদেশের বাজারে আনতে সক্ষম হয়েছে নতুন নতুন স্মার্টফোন ।

এবং সেই কারণে ধীরে ধীরে আইটেল স্মার্টফোন গুলো জনপ্রিয়তা অর্জন করছে তরুণদের মাঝে৷

তার মধ্যে একটি হচ্ছে আইটেল এর অন্যতম বাজেট স্মার্টফোন আইটেল এস ১৫ প্রো৷

কি আছে আইটেল এস ১৫ প্রো তে? এই আর্টিকেল এ আমরা সেটি জানতে চলেছি৷

তাহলে প্রথমে আনবক্সিং দিয়ে শুরু করা যাক!

আনবক্সিং করলেই আপনারা পেয়ে যাবেন কাঙ্খিত ডিভাইস টি৷ তার সাথে রয়েছে একটি ৩০০০ এমএএইচ ব্যাটারি৷ সচরাচর এখনকার ফোনগুলোতে ব্যাটারি আলাদাভাবে পাওয়া যায়না৷ ফোনের ভেতরই ব্যাটারি থাকে৷ একটু এই ক্ষেত্রে একটু ব্যাতিক্রম রয়েছে৷

সাথে থাকছে একটি ব্যাক পার্ট৷ একটি এয়ারফোন, সাথে থাকছে একটি চার্জার এবং তার সাথে ইউএসবি ক্যাবল৷

এবার আলোচনা করা যাক ফোনের বিল্ড কোয়ালিটি এবং ডিজাইন নিয়ে!

বলতে গেলে ফোনের বিল্ড কোয়ালিটি এবং ডিজাইন ফোনের বাজেট অনুপাতে ভালই ছিল। দাম অনুযায়ী এটি বেশ সলিড ডিভাইস৷ পেছনে দেয়া হয়েছে প্লাস্টিক ফিল্ড, ফোনের ওপরের অংশে থাকছে একটি ইয়ারফোন জ্যাক৷

ডানপাশে থাকছে ভোলিয়াম আপ ডাউন বাটন, এবং পাওয়ার বাটন। তবে বাম পাশটি সম্পূর্ণ খালি রাখা হয়েছে৷ নিচের দিকে থাকছে প্রাইমারি স্পিকার ও ইউএসবি পোর্ট৷

বাজেট অনুপাতে সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো ছিল। তবে আশা করা যায় উত্তরসূরি ফোনগুলোতে সাউন্ড কোয়ালিটি আরো উন্নত করা হবে, অথবা হয়েছে । এর ব্যাক পার্ট এ সহজেই খোলামেলা করা যায়। আপনি চাইলে এখানে ব্যাটারি সেটআপ করতে পারবেন৷ এখানে দেয়া হয়েছে ৩০০০ এম এইচ এর একটি ব্যাটারি৷ এবং ব্যাটারি ব্যাকআপ বলতে গেলে বাজেট অনুপাতে অসাধারণ ছিল৷ হালকা ভাবে যদি আপনি ফোন থেকে ব্যবহার করেন তাহলে ১ দিন পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন৷

ব্যাটারি না খুলেই আপনি দুইটি সিম এবং একটি মাইক্রো এসডি কার্ড ফোনের ভেতরে প্রবেশ করাতে পারবেন৷ দুইটি সিম কার্ডে পারছেন ৪জি সুবিধা৷

ফোন কোয়ালিটি নিয়ে তেমন কোন অভিযোগ নেই৷

এবার আসা যাক ফোনটির ডিসপ্লে ব্যাপারে!

ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.১ ইঞ্চির একটি আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে ।যার রেজ্যুলেশন ৭২০×১৫২০ , ১৯:৫:৯ রেশিও ,২৫২ পিপিআই৷

 

বলতে গেলে এই স্মার্টফোনের ডিসপ্লেটি ইনডোর লাইটের ভালোই পারফরম্যান্স দিয়েছে৷ তবে আউটডোরে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। আপনাকে ফুল ব্রাইটনেস দিয়ে মোবাইল চালাতে হবে৷

এছাড়াও মিডিয়া ওয়াচিং এক্সপিরিয়েন্স ছিল মোটামুটি ভালই৷ ডিসপ্লেটি ফুল এইচডি প্লাস রেজুলেশনের নয়, তবে তার পরও বাজেট অনুযায়ী যথেষ্ট ভাল পারফর্ম করে৷

ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ইউনি এস সি ৯৮৭৩ এ অকটাকর প্রসেসর ,২ জিবি রেম ,এবং ৩২ জিবি রোম । বুঝতেই পারছেন বাজেট অনুযায়ী এর চেয়ে বেশি আপনি আশা করতে পারবেন না।

গামিং এক্সপেরিয়েন্স এ কথা বলতে গেলে মোটামুটি ছিল । খুব ভারী গেমগুলো খেলতে গেলে স্বভাবতই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেবে৷ বিশেষ করে পাবজি বা এই ধরনের ভারী গেম গুলো৷ তবে ফ্রী ফায়ার বা পাবজি লাইট খেলতে পারবেন নিঃসন্দেহে।

টাচরেসপন্স মোটামুটি ছিল!

 

তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার জানেন কি?

বাজেটবান্ধব হওয়ার পরও এই ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ফেস আনলক এবং তার সাথে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।
সত্যি অসাধারণ একটা ব্যাপার!

এবার আসা যাক ক্যামেরার ব্যাপারে

ফোনের প্রাইমারি ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেলের এবং তার সাথে থাকছে ৫ ও ০.৮ মেগাপিক্সেলের আরও দুটি ক্যামেরা৷

ক্যামেরা নিয়ে কিছুই বলার নেই৷ কারণ এটা একটা বাজেট ফোন।

তবে বলার রয়েছে সামনের সেলফি ক্যামেরা নিয়ে!

১৫ মেগা পিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা টির পারফর্মেন্স এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ ছিল । ফেইস মুভ তো দূরের কথা শার্পনেসেও কোন ধরনের ঘাটতি দেখা যায়নি । এক কথায় অসাধারণ!

বাংলাদেশি মূল্যে এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৮৯০ টাকা।



আরও পড়ুন Techzoom এ

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: