যেভাবে ৯০০০ গোল হলো বার্সেলোনার

 

সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ৯ হাজার গোল হয়েছে বার্সেলোনার। ছবি-টুইটারভিয়ারিয়ালকে কাল ৪-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে আরও একটা দুর্দান্ত মাইলফলক ছুঁয়েছে বার্সেলোনা। প্রতিযোগিতা মূলক ম্যাচে ৯০০০ গোল হয়েছে বার্সেলোনার। বদলি নেমে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে জর্ডি আলবার পাস থেকে এ দিন দলের চতুর্থ গোলটি করেন গিনি-বিসাউ বংশোদ্ভূত স্প্যানিশ উইঙ্গার আনসু ফাতি। তাঁর ওই গোলেই লেখা হয় ইতিহাস।

এক থেকে ৯০০০ গোল, কেমন ছিল এই পথচলা? উত্তর খুঁজলে যেতে হবে প্রায় ১১১ বছর পেছনে। বার্সেলোনা ক্লাব ২৯ নভেম্বর ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ক্লাবের ওয়েবসাইট বলছে, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে প্রথম স্বীকৃত গোলটা এসেছে ১৯০৯ সালের ৫ এপ্রিল। মাদ্রিদে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ৩-২ গোলে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরেছিল বার্সেলোনা। ওই ম্যাচেই বার্সার প্রথম গোলটা করেছিলেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড রোমা ফর্নস। ১৯০৩ থেকে ১৯১৩ পর্যন্ত বার্সেলোনায় খেলেছেন এই কাতালান ফুটবলার। পরে হয়েছিলেন বার্সেলোনার পরিচালকও।

ফর্নস থেকে শুরু, ফাতিতে এসে ৯০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়া। পরিসংখ্যান বলছে, এই ৯০০০ গোলের শতকরা প্রায় ৭ ভাগ গোলই করেছেন লিওনেল মেসি। সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে বার্সেলোনার জার্সিতে যার গোল ৬৩০টি। অথচ ক্লাবের ১২১ বছরের ইতিহাসে মেসি খেলছেন মাত্র ১৫ বছর ধরে।

স্প্যানিশ উইঙ্গার আনসু ফাতির গোলেই লেখা হয় ইতিহাস। ছবি-টুইটারমেসির পরে সবচেয়ে বেশি অবদান সাবেক স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড সিজার রদ্রিগেজের। ১৯৪২ থেকে ১৯৫৫ পর্যন্ত ক্লাবের হয়ে ২৩২ গোল করেছেন সিজার। লাসজলো কুবালা আর লুইস সুয়ারেজ দুজনেই করেছেন ১৯৪টি করে গোল।

মৌসুম হিসেব করলে বার্সেলোনা সবচেয়ে বেশি গোল করেছে ২০১১-১২ মৌসুমে, সব টুর্নামেন্ট মিলে ১৯০টি। অন্যদিকে পঞ্জিকা বর্ষের হিসেবে সবচেয়ে গোলপ্রসবা ছিল ২০১৫, ওই বছর ১৮০ গোল করেছে বার্সেলোনা।

এই ৯ হাজার গোলের মধ্যে বার্সেলোনা লা লিগায় করেছে ৬১৬৫ গোল, কোপা ডেল রেতে ১৪৭৪ গোল, চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫৪৩টি, ইউরোপিয়ান কাপ উইনার্স কাপে ১৭৮টি, উয়েফা কাপে ১৪৯টি, ফেয়ারস কাপে ১৪১টি, ইউরোপিয়ান কাপে ৮৭টি, স্প্যানিশ সুপার কাপে ৭৫টি, লিগ কাপে ৩৯টি, পাইরেনিস কাপে ৩৯টি, মেডিটেরানিয়ান লিগে ২৭টি, ক্লাব বিশ্বকাপে ২৩টি, ইউরোপিয়ান সুপার কাপে ১৭টি, স্প্যানিশ কাপে ১৬টি, লাতিন কাপে ১২টি, ইভা দুরাতে কাপে ৫টি, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে ১টি ও অন্যান্য টুর্নামেন্টে ৭টি।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: