করোনাকালে ভারতীয়দের অন্যরকম আবিষ্কার

সামাজিক দূরত্ব মেনে দুধ বিক্রি করতে এই কৌশল বের করেছেন তিনি। ছবিটি টুইটার থেকে নেওয়াকথায় আছে, প্রয়োজনীয়তাই নাকি উদ্ভাবনের জনক। বলা হয়ে থাকে, নিতান্তই প্রয়োজনের মুহূর্তেই মানুষ নাকি নানা নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করে থাকে। করোনা মহামারির এই দিনে অন্তত কিছু ভারতীয়দের ক্ষেত্রে এই প্রচলিত কথাটি অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেছে।

করোনাভাইরাসের কারণে ভারতজুড়ে লকডাউন জারি করতে হয়েছিল নরেন্দ্র মোদির সরকারকে। এখন সীমিত আকারে অনেক স্থানে লকডাউন তুলে দিলেও, সংক্রমণ যেসব অঞ্চলে বেশি সেইসব এলাকায় ঠিকই প্রয়োগ করা হচ্ছে কঠোর পদক্ষেপ। এ কারণে স্কুল-কলেজও বন্ধ রাখতে হচ্ছে। কিন্তু তাই বলে তো আর দীর্ঘকাল পড়াশোনা বন্ধ রাখলে চলবে না। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন অনেক শিক্ষক।

ক্যামেরার ট্রাইপড না থাকায় বিকল্প ব্যবস্থা। ছবিটি টুইটার থেকে নেওয়াকিন্তু ভারতের সব এলাকায় তো আর সমান সুযোগ-সুবিধা নেই। হয়তো স্মার্টফোন আছে, কিন্তু সেটি দিয়ে ভালোভাবে ভিডিও করার জন্য ট্রাইপড নেই। তাই বলে মৌমিতা নামের ভারতীয় এক শিক্ষক দমে যাননি। ট্রাইপড তিনি নিজেই বানিয়ে নিয়েছেন। তাঁর নিজের বানানো সেই ট্রাইপডের ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বেশ আলোচিত হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে, কাপড়ের প্লাস্টিকের হ্যাঙ্গার ও চেয়ার দিয়ে তিনি একটি অভিনব ট্রাইপড তৈরি করেছেন। তাতে ফোনের ক্যামেরা থাকছে স্থির, ফলে অনলাইন ক্লাসও হচ্ছে ভালোভাবে।

এমনই আরেকটি ছবি টুইটারে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। সেই ছবিতে দেখা যায়, এক দুধওয়ালা অভিনব উপায়ে দুধ বিক্রি করছেন ক্রেতাদের কাছে। একটি পাইপ ও ফানেল ব্যবহার করে ক্রেতাদের দুধ দেন তিনি। এতে করে দুধ পাত্রে ঢালার জন্য তাঁকে ক্রেতাদের কাছাকাছি আসতে হয় না। ফলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদেই বিক্রি করা যায় পণ্য।

ভারতীয়দের এমন আরও কিছু উদ্ভাবনের ছবি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তা নিয়ে বেশ আলোচনাও হচ্ছে। অনেকে বলছেন, করোনার কারণে বাধ্য হয়েই এমন আশ্চর্য উপায়ে নতুন স্বাভাবিকতার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছে মানুষ।

সূত্র: এনডিটিভি





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: