স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ স্ত্রীকে ঢাকায় স্থানান্তর

দগ্ধ ইয়াছমিন আক্তার সুইটিচট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পূর্ব কোদালা সন্ধীপাড়া গ্রামে স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার সুইটিকে (২৫) ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এনে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২১ নভেম্বর) রাতে তাকে ঢাকায় আনার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দগ্ধ মেয়েটি বাবা হারুন অর রশিদ জানান, গত সাত বছর আগে পাশের গ্রামের সলিমুল্লা রাফেলের সঙ্গে পারিবারিকবাবে মেয়েটির বিয়ে হয়। তাদের ঘরে এখন ছেলে রয়েছে। বিয়ের প্রথমে ভালোই ছিল। স্বামী বেকারিতে কাজ করতো। পরে বেকার হয়ে যায়। এরপর থেকে টাকা চাইতে থাকে। টাকা না দেওয়ায় প্রায়ই মারাধর করতো।
হারুন অর রশিদ বলেন, ‘মেয়ের জামাইকে কেবল অপারেটরের ব্যবসা দিয়ে দেই। তারপরও সে আমার মেয়েকে মারধর করতো। সম্প্রতি গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মেয়েকে মারাধর করে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। মেয়ের স্বামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছেন। আমরা তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শঙ্কর পাল ভর্তি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার শরীরের কোমরের নিচের অংশ দগ্ধ হয়েছে। ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: