চীনে এবার বিউবোনিক প্লেগ, সতর্কতা জারি

চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের একটি শহরের হাসপাতালে গত শনিবার সন্দেহজনক বিউবোনিক প্লেগ রোগ ধরা পড়েছে। এ ঘটনায় শহরটিতে এক দিন পর গত রোববার জারি করা হয়েছে সতর্কতা।

ইনার মঙ্গোলিয়ার বেয়ান নুর শহরে প্লেগের সন্দেহজনক ঘটনাটি ধরা পড়ে। এরপর সেখানকার স্বাস্থ্য কমিটি শহরে সর্বোচ্চ চার স্তরের মধ্যে তৃতীয় স্তরের সতর্কতা জারি করে। এই রোগ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ শহরবাসীকে বন্য পশু শিকার ও এর মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে। একই সঙ্গে প্লেগ বা স্পষ্ট কারণ ছাড়াই কোনো জ্বরের ঘটনা ঘটলে ও কোনো অসুস্থ বা মৃত মামটের (কাঠবিড়ালজাতীয় প্রাণী) দেখা মিললে সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

ইনার মঙ্গোলিয়ায় গত বছরের নভেম্বরে মানুষের বিউবোনিক প্লেগে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহজনক চারটি ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর এ সতর্কতা ও নির্দেশনা জারি করা হলো। ওই চার ঘটনার দুটি ছিল নিউমোনিয়াঘটিত, যা প্লেগের একটি মারাত্মক ধরন।

বিউবোনিক প্লেগ ১১০০ থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত সময়ে ‘ব্ল্যাক ডেথ’ নামে পরিচিত ছিল। এটা ইঁদুর, কাঠবিড়ালের মতো তীক্ষ্ণ দাঁতের প্রাণীর মাধ্যমে ছড়াতে পারে ও প্রায়শ প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চীনে প্লেগে ২৬ জন আক্রান্ত হওয়া ও ১১ জনের মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য, চীন যখন করোনাভাইরাসের সংকট কাটিয়ে উঠছে, যখন স্থানীয় সংক্রমণ প্রায় শূন্যের কোঠায়, তখন এই বিউবোনিক প্লেগের খবর এল। চীনের উহান শহরে গত বছরের শেষ দিকে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এবং দ্রুত এর বিস্তার ঘটে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তবে এরপরই করোনার সংক্রমণ দ্রুত কমে আসে।

বিউবোনিক প্লেগ ইঁদুর, কাঠবিড়ালির মতো তীক্ষ্ম দাঁতের প্রাণীর মাধ্যমে ছড়ায় এবং প্রায়ই প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে।

 

সিকে সমালোচনা করায় অধ্যাপক আটক

এদিকে করোনাভাইরাস মোকাবিলার বিষয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সমালোচনা করায় গতকাল আইনের এক অধ্যাপককে আটক করেছে। তাঁর পরিচিতজনেরা বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সির পদক্ষেপের সমালোচনা ও তাঁর ক্ষমতা কুক্ষিগতকরণের প্রচেষ্টা বিষয়ে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করেন তিনি।

আটক অধ্যাপকের নাম জু ঝানগ্রান। সরকারের স্পষ্টবাদী সমালোচক হিসেবে তিনি পরিচিত। তাঁকে রাজধানী বেইজিংয়ের শহরতলির বাসা থেকে ২০ জনের বেশি লোক এসে ধরে নিয়ে গেছেন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর এক বন্ধু এএফপিকে জানান। এর আগে গত সপ্তাহে তাঁকে গৃহবন্দী করা হয়।

 





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: