যবিপ্রবি’র সেই নিরাপত্তা কর্মী গ্রেফতার ও বহিষ্কার

 যবিপ্রবির আলোচিত নিরাপত্তাকর্মী বদরুজ্জামান বাদল।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদককে মারপিটের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বদরুজ্জামান বাদলকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাকে সোমবার আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া অভিযোগটিকে মামলা হিসেবে গ্রহণের পর আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া বাদলকে আবারও চাকরি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে যবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ।

একইসঙ্গে শিক্ষক সমিতির সভাপতিকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে ওই কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।

গত ২০ জুলাই সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসানকে তার কক্ষে গিয়ে নিরাপত্তাকর্মী বদরুজ্জামান বাদল, সেকশন অফিসার ইকবাল হোসেন, শাহীন হোসেন, মালি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও পিয়ন আরিফুল ইসলামসহ কয়েকজন মারপিট করেন। এসময় তার কক্ষের টেবিল, চেয়ার, কম্পিউটার ও প্রিন্টার ভাঙচুর করা হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ থেকে চাকরিতে ফেরার ১৪দিনের মাথায় নিরাপত্তাকর্মী বদরুজ্জামান বাদল এ ঘটনা ঘটান।

কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসান দাবি করেন, কোনও কারণ ছাড়াই আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। যে কারণে ঘটনার দিনই ৬জনকে আসামি করে অভিযোগ দাখিল করি। আজ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে শুনেছি।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, কামরুল হাসানের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে তা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন নিরাপত্তাকর্মী বদরুজ্জামান বাদল, সেকশন অফিসার ইকবাল হোসেন, শাহীন হোসেন, ডেসপাস রাইডার ইমরান হোসেন, মালি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও পিয়ন আরিফুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে বদরুজ্জামান বাদলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, বদরুজ্জামান বাদলকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদকে সভাপতি এবং কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারী সভাপতিকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে ওই কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে রিজেন্ট কমিটির সভায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুলাই সোমবার দুপুরে উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির দাবি দাওয়া নিয়ে যৌথসভা করেন। ওই সভা শেষে এ মারপিটের ঘটনা ঘটে।





সম্পূর্ণ রিপোর্টটি প্রথম আলোতে পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: