নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের সেরা ১৫টি উক্তি

নোবেল বিজয়ী মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে নির্মেদ ও নিরাবেগী লেখনীর জন্যে বিংশ শতাব্দীর কথাসাহিত্যের ভাষাশৈলীতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।  

হেমিংওয়ে লিখতেন, ছোট ছোট সরল বাক্যের সহজ গদ্যে। কঠিন বা বড় শব্দ ইউজ করতেন না। আরেক মার্কিন নোবেল বিজয়ী উইলিয়াম ফকনার একবার বলেছেন, হেমিংওয়ে কখনও এমন একটা শব্দ ব্যবহার করেন নাই যা পাঠককে ডিকশনারি দেখতে হয়।’

হেমিংওয়ে স্বাভাবিকভাবেই কষ্ট পেয়েছেন। জবাবে লিখলেন, ‘বেচারা ফকনার। সে কি আসলেই ভাবে যে বড় আবেগ বড় শব্দ থেকেই আসে?’ 

ওল্ড ম্যান এন্ড সি’ এর লেখক কালজয়ী সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে কোনো রোগে ভুগে কিংবা দুর্ঘটনায় মারা যাননি। 

নিজেই লিখেছিলেন ‘যে কষ্টের কারণে তুমি এখন আত্মহত্যা করতে চাইছ, সেটা কেটে গেলে আবার তুমি দেখবে জীবনটা অনেক সুন্দর।’  

অথচ বিশ্বসাহিত্যের এই অমূল্য কারিগর জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে নিজেই নিজেকে শেষ করে দেন। আত্মহত্যার পূর্বে হেমিংওয়ে তাঁর স্ত্রীকে বলেছিলেন, ‘শুভরাত্রি আমার বিড়ালছানা’।

চলুন এই গুণী লেখকের কিছু উক্তি পড়ে দেখা যাক। 

 

১#

আমার জানামতে সবচেয়ে দুর্লভ ব্যাপার হচ্ছে বুদ্ধিমান মানুষকে সুখী হতে দেখা।

 

২#

সব মানুষের জীবনের সমাপ্তিটা একই রকম। কেবল সে কিভাবে জীবন কাটিয়েছে এবং কিভাবে মারা গেছে তাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখে।

 

৩#

মানুষ পরাজিত হওয়ার জন্য তৈরি হয়নি। মানুষকে ধ্বংস করা যায় কিন্তু পরাজিত করা যায় না।
[‘দি ওল্ড ম্যান এন্ড দ্য সি’ উপন্যাস থেকে] 

 

৪#

যে কষ্টের কারণে তুমি এখন আত্মহত্যা করতে চাইছ, সেটা কেটে গেলে আবার তুমি দেখবে জীবনটা অনেক সুন্দর।
[উনি নিজেই আত্মহত্যা করেছিলেন] 

 

৫#

মাতাল অবস্থায় যা বলতেন সেটি স্বাভাবিক অবস্থায় সবসময়  করবেন। এইভাবে নিজের মুখটা কিভাবে বন্ধ রাখতে হয় তার শিক্ষা পাবেন। 

 

৬#

সফল বাবা হতে, একটা মাত্র পরম সূত্র আছে: যখন আপনার সন্তান জন্ম নেওয়ার দুই বছরের মধ্যে তার দিকে তাকানো যাবে না। 

 

৭#

যেকোনো কিছুর প্রথম খসড়াটি জঘন্য হয়। 

 

৮#

কাউকে প্রচন্ড ভালোবাসার সবচেয়ে যন্ত্রনাদায়ক ব্যাপার হলো নিজেকে হারিয়ে ফেলা। ভুলে যাওয়া যে আপনি নিজেও স্পেশাল। 

 

৯#

লেখালেখির সবচেয়ে কঠিন অংশ হলো লিখে শেষ করা। 

 

১০#

আমি মানুষের কথা শুনতে ভালোবাসি। ভালোভাবে অন্যের কথা শুনতে গিয়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি। বেশিরভাগ লোক অন্যের কথা শোনে না। 

১১#

সুযোগ ও পার পেয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা থাকলে সবাই খারাপ ব্যবহার করে। 

 

১২#

জায়গাটা বেশ ভালো- সে বললো। 

হ্যাঁ অনেক রকম মদ আছে। – আমি একমত হলাম। 

[‘দ্য সান অলসো রাইজেস’ থেকে] 

 

১৩#

আমি এক পৃষ্ঠা মাস্টারপিস লেখি আর নিরানব্বই পৃষ্ঠা আবর্জনা। সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো আবর্জনাগুলোকে ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেয়া।  

 

১৪#

যেকোন ভালোলাগার কাজ  করার মানে হাততালির প্রত্যাশা না করেই করে যাওয়া৷ 

 

১৫#

জীবনকে যে খুব সিরিয়াস একটা বিষয় মনে করে সে আসলে নিজেকেই হাস্যকর করে ফেলে।





আরও পড়ুন eআরকিতে

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

%d bloggers like this: